ভারতীয় প্রিমিয়ার লীগে (আইপিএল) মোস্তাফিজুর রহমানের খেলা, না-খেলা নিয়ে চলছে নানা গুজব। সম্প্রতি ভারতের একটি ইংরেজি দৈনিক খবর প্রকাশ করেছে যে, আইপিএলের আসন্ন আসরে মোস্তাফিজের না খেলার সম্ভাবনা। তারা মোস্তাফিজের একটি উদ্বৃতি দেয়। সেখানে নাকি তিনি বলেন, ‘মনে হয় না- এবারের আসরে আমি খেলতে পারবো।’ এছাড়া বাংলাদেশের সীমিত ওভারের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার ক’দিন আগে মোস্তাফিজকে নিয়ে করা একটি মন্তব্য তারা উদ্বৃতি করে। সেখানে মাশরাফি বলেন, ‘আইপিএলের চেয়ে দেশ বড়’। এই দু’টি বিষয় মিলিয়ে ভারতের অনলাইনটি জানায় যে, ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলের দশম আসরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে মোস্তাফিজের খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এতে বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল। এরই মধ্যে এ বিষয়ে কথা বললেন মোস্তাফিজ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডের আগে কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবের মাঠে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এক লোক আমাকে হোটেল ইন্টারকমে ফোন করে জানতে চান, আমি আইপিএলে খেলবো কিনা। আমি বলি- সামনে আমাদের আরো তিনটি ম্যাচ আছে (এক ওয়ানডে ও দুই টি-টোয়েন্টি)। ম্যাচগুলো শেষ হওয়ার আগে আমি কিছু বলতে পারছি না। ক্রিকেট বোর্ড আমাকে আইপিএলে খেলার অনুমতি দেবে কি, জানি না। আগে আমাদের ম্যাচগুলো শেষ হোক, তারপর এ বিষয়ে কথা বলবো।’ সহজ-সরল মোস্তাফিজের এই কথাগুলোতে একটু রঙ চড়িয়ে ভারতের ওই মিডিয়া লেখে যে, তিনি এবার আইপিএলে খেলবেন না। যদিও এখনো নিশ্চিত নয় যে, আসন্ন আইপিএলে তিনি খেলবেন কি-না। অস্ত্রোপচারের দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরেছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে নেন ৮ উইকেট। দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরলেও ছন্দটা ঠিক আগের মতো আছে বলেই তখন মনে হচ্ছিল। কিন্তু ওয়ানডে সিরিজে কিছুটা ছন্দহীন তিনি। প্রথম ম্যাচে ৫৬ রানে ৩ উইকেট নিলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ৬০ রানে নেন মাত্র ১ উইকেট। আইপিএলের নবম আসরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শিরোপা জয়ে মোস্তাফিজের ছিল দারুণ অবদান। ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে আসরের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন তিনি।
কয়েকদিন আগে দেশীয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হার্টবিট মাহিয়া মাহিকে নিয়ে ‘মনে রেখো’ নামে একটি ছবির শুটিং শুরু করে। ছবিটি পরিচালনা করছেন ওয়াজেদ আলী সুমন। এতে মাহির বিপরীতে অভিনয় করছেন কলকাতার নায়ক বনি সেনগুপ্ত। কিন্তু কয়েকদিন শুটিংয়ের পর জানা যায়, দেশীয় চলচ্চিত্রে মাত্রাতিরিক্ত ভিনদেশি শিল্পী ও কলাকুশলী ব্যবহার করা হচ্ছে। যার প্রতিবাদ করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের ফাইট, ড্যান্সসহ আরও কিছু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে এফডিসিতে পরিচালক সমিতিকে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছে এসব সংগঠন। গত ৩০শে মার্চ এসব অভিযোগের ভিত্তিতে এফডিসিতে এক জরুরি সভার ডাক দেয়া হয়। সভায় সবার সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, সংশ্লিষ্ট সংগঠনের অনুমতি ছাড়া শুটিংয়ে অংশ নিলে সদস্য পদ বাতিল করা হবে। ভোটের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এ ছবির আরেক অভিনেতা মিশা সওদাগর ছবির শুটিং সেট থেকে চলে আসেন। তিনি মানবজমিনকে বলেন, আমি শুটিং সেট থেকে চলে এসেছি। এসব সমস্যার সমাধান হওয়া দরকার। দেশীয় টেকনিশিয়ানদের কাজের সুযোগ দিতে হবে। কারণ এটা আমাদের দেশীয় ছবি। আমার মনে হয় এরইমধ্যে এর সমাধান হবে, তারপর আবারও আমি কাজ শুরু করব। অন্যদিকে, পরিচালক সমিতির মহাসচি...

Comments
Post a Comment